Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯, ১০ চৈত্র ১৪২৫
  • ||

‘গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই’

প্রকাশ:  ১৪ মার্চ ২০১৯, ২২:৩০
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম জানিয়েছেন গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। গ্যাস বিতরণ কোম্পানি যা-ই প্রস্তাব করুক না কেন যৌক্তিক পর্যায়ে বিবেচনা করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) বিইআরসিতে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির আবেদনের ওপর শুনানিতে শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, আপনারা যদি অতীতের দিকে তাকান তবে দেখবেন কোম্পানি যাই বলুক যৌক্তিক পর্যায়ে দাম বাড়ানো হয়েছে। ২০১৭ সালে ৯৫ শতাংশ দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছিল, বিইআরসি ১১ শতাংশ বাড়িয়েছিল। ২০১৮ সালে ৭৫ শতাংশ দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের বিপরীতে কোনো দাম বাড়ানো হয়নি।

তিনি বলেন, আমি বিতরণ কোম্পানিগুলোকে অনুরোধ করব যেন সঠিক পরিমাণে প্রস্তাব করে। কথায় আছে এলএমজি চাইলে কমপক্ষে পিস্তল তো পাওয়া যাবে এমন ভাবার কোনো কারণ নেই।

বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, আমরা সবার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছি। নোটও করা হয়েছে। কমিশন পুরোপুরি স্বাধীন। সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে বিচার-বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত জানাবে। তবে আমরা কখনও কাউকে সন্তুষ্ট করতে পারিনি। দাম বাড়লে স্বাভাবিকভাবে ভোক্তাদের ওপর চাপ বেড়ে যায়। সে কারণে তারা স্বাভাবিক কারণেই অসন্তুষ্ট হন। গণশুনানিতে অনেকগুলো সুপারিশ এসেছে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে বলব বিষয়টি দেখার জন্য।’

স্থানীয় পর্যায়ে গিয়ে গণশুনানি করার প্রস্তাব এসেছে বিইআরসি বিবেচনা করবে বলে জানান চেয়ারম্যান।

জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব জহির রায়হান বলেন, বিইআরসিকে অনেককিছু বিবেচনা করতে হবে। একদিকে যেমন ভোক্তা না থাকলে কোম্পানির কোনো দাম নেই, তেমনি কোম্পানি না থাকলে ভোক্তা সেবা পাবেন না। দুইপক্ষকেই বাঁচাতে হবে।

গ্যাসের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে ১১ মার্চ গণশুনানি শুরু হয়। প্রথম দিনে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানির হুইলিং চার্জ বৃদ্ধির আবেদনের ওপর শুনানি নেওয়া হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে ছয়টি বিতরণ কোম্পানি পক্ষ থেকে দাম বৃদ্ধির ওপর গণশুনানি হয়। প্রত্যেকে ১০২ শতাংশ হারে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। প্রধান কারণ দেখানো হয়, চড়া দরে এলএনজি আমদানির কথা। তবে ভোক্তাদের পক্ষ থেকে তীব্র বিরোধিতা করা হয়।

গণশুনানিতে অংশ নিয়ে ভোক্তারা বিশেষ ক্ষমতা আইন বন্ধ, বাপেক্সকে শক্তিশালী করা, দেশীয় গ্যাস উত্তোলন কার্যক্রম জোরদার করার প্রস্তাব দেন।

এদিকে, কর্ণফুলী ও পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস বিতরণ কোম্পানি তাদের প্রস্তাবে আবাসিকে এক চুলা বর্তমান দর ৭৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এক হাজার ৩৫০ টাকা, দুই চুলা ৮০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এক হাজার ৪৪০ টাকা এবং প্রি-পেইড মিটারে ৯ দশমিক ১০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬ দশমিক ৪১ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে।

অন্যদিকে বিদ্যুতে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম তিন দশমিক ১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯ দশমিক ৭৪ টাকা, সিএনজিতে ৩২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৮ দশমিক ১০ টাকা, সার উৎপাদনে প্রতি ঘনমিটার দুই দশমিক ৭১ টাকা থেকে বাড়িয়ে আট দশমিক ৪৪ টাকা, ক্যাপটিভ পাওয়ারে ৯ দশমিক ৬২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৮ দশমিক শূন্য ৪ টাকা, শিল্পে সাত দশমিক ৭৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৪ দশমিক শূন্য পাঁচ টাকা এবং বাণিজ্যিকে ১৭ দশমিক শূন্য চার টাকার পরিবর্তে ২৪ দশমিক শূন্য পাঁচ টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে তারা বিতরণ চার্জ নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে।

পিবিডি/জিএম

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন,চেয়ারম্যান,মনোয়ার ইসলাম,গণশুনানি
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত