• মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১
  • ||

ল্যাবএইডে এন্ডোসকপি হচ্ছে বিধি মেনেই, বলছেন সংশ্লিষ্টরা

প্রকাশ:  ২০ জুন ২০২৪, ২০:৫৫ | আপডেট : ২০ জুন ২০২৪, ২১:০৪
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে এক দিনে এক চিকিৎসক ৭০টির বেশি এন্ডোসকপি করেনি, এমনকি এটি বিধিবহির্ভূতও নয় বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সরকারের এই সংস্থা বলছে, বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে কোনো অভিযোগ আসেনি, এমনকি এই বিষয়ে বাধাধরা কোনো নিয়ম নেই। এছাড়া সাম্প্রতিককালে এমন কোনো তথ্যও পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখার পরিচালক ডা. মঈনুল আহসানের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমের প্রকাশিত খবরে বলা হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাবের (স্বপ্নীল) নেতৃত্বে একদিনে ল্যাবএইড হাসপাতালে ৭০টির বেশি এন্ডোসকপি করানো হয়েছে।

এ বিষয় নিয়ে এ প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ডা. মঈনুল আহসানের। তিনি বলেন, ‘ল্যাবএইড হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় আমরা গত বছরের একটি রিপোর্ট নিয়ে কথা বলেছি। এ বছর তো এমন কিছু পাইনি। আর তাৎক্ষণিক গণনা করে তখন বলেছি। কিন্তু একচুয়াল কোনো নম্বর বলা হয়নি।’

এই কর্মকর্তার ভাষ্য, ‘৭০টা এন্ডোসকপি যদি করেও থাকে, ৭০টি করা যাবে না এমন কিছু তো লেখা নেই। উনি যদি পারে করবে। করা যাবে না, এরকম কোনো বিধিবিধান নেই। আমরা কোথাও বলিনি এটা করা যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘স্বপ্নীল সাহেব যদি ৭০টা করেও থাকেন, এরকম অহরহ উদাহরণ রয়েছে আমাদের বিশেষজ্ঞরা রাত ২-৩টা পর্যন্তও অনেকে রোগী দেখেন। এটা ঠিক নয়। কিন্তু নিষিদ্ধ নয়। আর উনি প্রতিদিন ৭০টা করেছে এটা মনে হয় না। ’

তিনি আরও বলেন, ‘গত মাসে ১০টা করে করেছে সেটা দেখেছি। একটা এক্সিডেন্ট হওয়ার পরে অনেক কমিয়ে দিয়েছে। আর সে এখন কতটা করে সেই প্রশ্ন আমাকে কেউ করেননি। আর যে দিনের কথা হচ্ছে সেটি সম্ভবত ২০২৩ সালের ১৯ অক্টোবরের। আর সবচেয়ে বড় কথা ৭০টা করা যাবে না এরকম কোনো বিধিবিধান নেই।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল শাখার পরিচালক বলেন, ‘এটিকে আমরা কোনো অভিযোগের মধ্যে রাখিনি। বলতে গেলে, এটি কোনো বিধিবহির্ভূত কাজের মধ্যেও পড়ে না। উনি মান বজায় রেখে করতে পারলে করেছেন। সেটা বিধির মধ্যেই পড়ে।’

এদিকে এমন অভিযোগের বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব (স্বপ্নীল) মানবকণ্ঠকে বলেন, ‘গড়ে আমার এখানে ৮-১০টি এন্ডোস্কোপি হয়। আমি তো দিনে ৭০টি রোগীই দেখি না। আমি রেফারড কোনো রোগী দেখি না। অর্থাৎ অন্য লোকের রেফার করা কোনো এন্ডোস্কোপি রোগী আমি দেখি না।’

তিনি বলেন, ‘গড়ে আমার মাসে ২৫০-২৮০টি এন্ডোস্কোপি হয়েছে। গত মাসে আমি খোঁজ নিলাম ল্যাবএইডে এন্ডোসকপি ও কলোনস্কপি এবং ইআরসিপি সব মিলিয়ে সবমিলিয়ে ২৭৫টি পরীক্ষা হয়েছে।’

এই চিকিৎসক আরও বলেন, ‘আমি ল্যাবএইডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে কথা বলেছে উনি জানিয়েছেন- হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় ও শেষে এমন কোনো ধরনের কথা বলেননি মন্ত্রী মহোদয়।’

ল্যাবএইড,হাসপাতাল,এন্ডোসকপি,স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close