Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৪ ফাল্গুন ১৪২৫
  • ||

ইসি’র টেনশন সিটি নির্বাচন

প্রকাশ:  ১৩ জুলাই ২০১৮, ০২:২৫
পূর্বপশ্চিম ডেস্ক
প্রিন্ট icon

রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে টেনশনে রয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য সংসদ নির্বাচনের আগে তিন সিটি নির্বাচন যেন প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক অবস্থায় রয়েছে সাংবিধানিক এই সংস্থাটি। সেই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দিয়েছে কমিশন।

তবে তিন সিটির ভোটে কালো টাকা নিয়ন্ত্রণ, অভিযোগ ছাড়া ভোট গ্রহণ, আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা, কেন্দ্র দখল, জাল ভোট, আগের রাতে সিল-মারা ঠেকানো নির্বাচন কমিশনের জন্য চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা। তারা বলেছেন, কমিশন যদি বিগত খুলনা-গাজীপুরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সঠিকভাবে ব্যবস্থা নেয়, তবে ভালো নির্বাচন উপহার দেওয়া সম্ভব হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সিটি নির্বাচন যাতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে গতকাল তিন সিটি নির্বাচনের বিষয়ে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা বৈঠকে তিন সিটিতে কালো টাকা ঠেকানোর পরামর্শ এসেছে। এ ছাড়া বৈধ অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহার, পেশী শক্তি নিয়ন্ত্রণ, হোটেলে হোটেলে বহিরাগতদের অবস্থান, জঙ্গিদের বিষয়ে বিশেষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সিটি ভোটের বিষয়ে সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘গাজীপুরের ভোট ওপরে ভালো ছিল। কমিশনও বলছে, তারা দুই সিটির ভুল-ত্রুটি থেকে শিক্ষা নিয়ে কাজ করবে। আর তারা তিন সিটি ভোটের মাধ্যমে সংসদ নির্বাচনের মহড়া দিচ্ছে। আমি মনে করি, খুলনা-গাজীপুরে যেসব ব্যত্যয় ঘটেছে তা বিশ্লেষণ করে যথাযথ ব্যবস্থা নিলেই ভালো ভোট হবে।’

গতকাল তিন সিটি নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে তিন সিটির ভোট নিয়ে নানা শঙ্কার কথা আলোচনা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা বলেন, তিন সিটির ভোটে কালো টাকার খেলা চলছে। ভোটের দিন অনেকেই নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে সিল মেরে সেই ছবি ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে পারে। বরিশাল সিটি ও রাজশাহীর মতিহার, কাজলা এলাকায় নিয়ে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে বলেও উল্লেখ করেন একজন কর্মকর্তা।

সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ভোট নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা টেলিভিশনে দেখি ভালো ভোট হচ্ছে। কিন্তু পরদিন পত্রিকায় দেখা যায় দুই বছরের শিশুও ভোট দিয়েছে।’ এসব কীভাবে হয় তিনি প্রশ্ন রাখেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে। একজন নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘মাঝেমধ্যে আমরা নির্বাচন নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছি। অতি উৎসাহী কিছু লোক নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে অঘটন ঘটাচ্ছে। এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’

অপর একজন নির্বাচন কমিশনার বলেন, বিভিন্ন মামলায় অজ্ঞাত আসামির তালিকায় নাম দিয়ে কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না, হয়রানি করা যাবে না।

জানা গেছে, তিন সিটিতে দলীয় প্রতীকে প্রথম সিটি ভোট হওয়ায় এখানে বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে বেশি হারে পুলিশ, এপিবিএন, ব্যাটালিয়ন আনসার, র‌্যাব ও বিজিবি মোতায়েন করা হবে। ভোটের আগের দুই দিন থেকে ভোটের পরদিন পর্যন্ত চার দিন (২৮ জুলাই-৩১ জুলাই) ভ্রাম্যমাণ ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। এ ছাড়া সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ২২ জন ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ২৪ জন নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন রাখা হবে। একই সঙ্গে পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনসারের সমন্বয়ে প্রতিটি সাধারণ ওয়ার্ডে একটি করে মোবাইল ফোর্স এবং প্রতিটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে একটি করে স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে র‌্যাবের টিম এবং বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হবে। রাজশাহীতে ১৫ প্লাটুন, বরিশালে ১৫ প্লাটুন ও সিলেটে ১৪ প্লাটুন বিজিবি রাখা হবে। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ভোটকেন্দ্রের বাইরে র‌্যাব-পুলিশের টিম ও কয়েক প্লাটুন বিজিবি রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে থাকবে।-সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন -একে

সিটি নির্বাচন,নির্বাচন কমিশন
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত