Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • বুধবার, ২০ মার্চ ২০১৯, ৬ চৈত্র ১৪২৫
  • ||

ন্যায়বিচার প্রাপ্তি সার্বজনীন মৌলিক অধিকার: প্রধান বিচারপতি

প্রকাশ:  ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৬:৪৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, ন্যায়বিচার প্রাপ্তি ও আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার সার্বজনীন মৌলিক অধিকার। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ও মানবাধিকার সংরক্ষণে সরকারি আইনগত সহায়তা প্রদানের ভূমিকা অপরিসীম। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আইনগত সহায়তা ব্যাতিরেকে আইনের দৃষ্টিতে সমতা কখনোই সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বুধবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের কনফারেন্স রুমে ‘লিগ্যাল এইড ও আইন সাংবাদিকতা’ শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার সুপ্রিম কোর্ট কমিটি ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে।

প্রধান বিচারপতি বলেন, সমাজের অসঙ্গতি দূরীকরণ এবং সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে সাংবাদিকতা তথা গণমাধ্যমের ভূমিকা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট। মানুষের তথ্য জানার অধিকার এবং গণমাধ্যমের তথ্য জানানোর গভীর দায়বদ্ধতার প্রশ্নে সামাজিক অঙ্গীকার নিয়ে সাংবাদিকরা প্রতিনিয়ত অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করছে।

সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, আইন-আদালত, আইন-শৃঙ্খলা, মানবাধিকার এবং আইনি সেবা-সংক্রান্ত তথ্য আইন সাংবাদিকতার মাধ্যমে উঠে আসে। সাংবাদিকরা সাধারণ জনগণ ও বিচারপ্রার্থীদের আশা-আকাঙ্ক্ষা, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি এবং লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন করার গুরুদায়িত্ব পালন করছে।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বিনা বিচারে আটক বা অর্থাভাবে আইনজীবী নিয়োগ দিতে পারছে না এমন বিষয়গুলো সাংবাদিকরা অনুসন্ধিৎসু সাংবাদিকতার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কাছে তুলে ধরতে পারেন। সরকারি এসব সেবা সম্পর্কে এখনও প্রত্যন্ত অঞ্চলের লোকজন খুব অবগত নয়। এ জন্য লিগ্যাল এইডের সুফল নিয়ে সাংবাদিকরা ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পারেন। গণমাধ্যমের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সরকারি আইন সেবা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আমি আশাবাদী।

প্রধান বিচারপতি বলেন, আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান হতে সহযোগিতা এবং দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে মানুষের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত হতে পারে। আর জনগণের কাছে আইনি সেবা পৌঁছে দেয়া তথা সুশাসন নিশ্চিতকরণে বিচারক আইনজীবী, এনজিও কর্মী, সুশীল সমাজ ও সাংবাদিকদের ভূমিকা রয়েছে।

জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার সুপ্রিম কোর্ট কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল জাকির হোসেন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, ল’রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি সাঈদ আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক হাসান জাবেদ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতিরি সম্পাদক ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, ল’রিপোর্টাস ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান, সাবেক সভাপতি এম বদি-উজ-জামান ও আশুতোষ সরকার প্রমুখ।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডেইলি অবজারভার পত্রিকার অনলাইন সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান।

আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক শাহ আলমগীর এবং জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্য সচিব টাইটাস হিল্লোল রেমা।

/এসএম

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত