Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৫ ফাল্গুন ১৪২৫
  • ||

শিশুকন্যাকে যৌন-নির্যাতনের অভিযোগে ‘সেই’ পিশাচ-পিতার বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশ:  ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২৩:৫৩ | আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০২:০৯
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের প্রাথমিক পরীক্ষায় শিশুটিকে ধর্ষণের আলামত পাওয়ার পর পিশাচ পিতার বিরুদ্ধে মামলা নিয়েছে পুলিশ। চতুর্থ শ্রেণির ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে ১০ বছর বয়সী নিজ কন্যাতে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে বাবা সা্হেদুল্লাহ চিশতির বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলা তায়ের করা হয়েছে (মামলা নম্বর ১১)।

বুধবার (৬ ফেব্রুয়ারি) হাসপাতাল থেকে ধর্ষণের প্রমাণপত্র পাওয়ার পর রমনা থানা মামলাটি গ্রহণ করে বলে জানান শিশুটির মা। তিনি আরও জানান, তার ১০ বছরের কন্যা শিশুটি বর্তমানে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। শিশুটি রাজধানীর একটি স্কুলে লেখাপড়া করে।

শিশুর মা অভিযোগ করে বলেন, শিশুটির বাবার নাম সাহেদুল্লাহ চিশতী। তিনি সাবেক সেনা কর্মকর্তা। আড়াই বছর আগে তাদের আইনগতভাবে বিচ্ছেদ হয়ে যায়। এরপর থেকে মালিবাগ চৌধুরীপাড়ায় থাকতেন শিশুটির মা। খিলগাঁও তিলপাপাড়ায় থাকতেন বাবা সাহেদুল্লাহ। তাদের দুই সন্তান। তালাকের পর প্রায় ৬মাস বাবার কাছে ছিল শিশু দুটি। পরে মায়ের জিম্মায় যায় তারা।

মায়ের অভিযোগ, মঙ্গলবার সকালে বাবা সাহেদুল্লাহ শিশুটিকে বাসা থেকে গাড়িতে করে স্কুলে নিয়ে যায়। পরে দুপুরে শিশুটি একাই স্কুল থেকে বাসায় আসে। সে জানায় তার পেট ব্যাথা। কারণ জানতে চাইলে বাবাকে কিছু না বলার শর্তে মাকে জানায়, রাস্তায় গাড়ির মধ্যে বাবা তাকে নির্যাতন করেছে। এর আগেও বাসায় একাধিকবার শিশুটির সঙ্গে বাবা একই কাজ করেছে বলেও সে মাকে জানায়।

সাংবাদিকদের শিশুটির মা জানান, প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকরাও জানিয়েছেন যে শিশুটি ধর্ষণের শিকার এবং এটিই প্রথমবার নয়।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত বাবা সাহেদুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘তালাকের আগে থেকেই তাদের মায়ের সঙ্গে আমার সম্পর্কের অবনতি হয়। সে নিজেই আমাকে তালাক দেয়। তারপর থেকেই কয়েকটি থানায় আমার বিরুদ্ধে নির্যাতনের মামলা করে। থানা পুলিশ কোন প্রমাণ পায়না। ’

বুধবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢামেক ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের (ওসিসি) সমন্বয়কারী ডা. বিলকিস বেগম জানান, মঙ্গলবার একটি শিশু ভর্তি হয়েছে। আজ শিশুটির বয়স নির্ধারণের জন্য পরীক্ষা করা হয়েছে। এছাড়া সে ধর্ষণের শিকার হয়েছে কিনা তাও পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। সব পরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পেলে বিস্তারিত জানাবেন বলে জানান তিনি। আজই শিশুটিকে রমনা থানায় পাঠিয়ে মামলার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান এই চিকিৎসক। মামলার পর শিশুটির ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শিশুটির মায়ের বক্তব্যের ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছে।

এনই

পিশাচ পিতা,ধর্ষণ
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত