Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • বুধবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৮ ফাল্গুন ১৪২৫
  • ||
শিরোনাম

বিশ্বকাপের বিতর্কিত ঘটনা

প্রকাশ:  ১৪ জুন ২০১৮, ১৮:৩৯
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রিন্ট icon

চার বছরের অপেক্ষার শেষে আরও একটা বিশ্বকাপ ৷ আর মাত্র কয়েক ঘন্টা পর পর্দা উঠছে রাশিয়ার বিশ্বকাপের। বাংলাদেশ সময় রাত ৮.৩০ মিনিটে মস্কোর লুজনিকি স্টেডিয়ামে জমকালো আয়োজনে থাকছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। তারপরই একই ভেন্যুতে স্বাগতিক রাশিয়া ও সৌদি আরবের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে গড়াবে বিশ্বকাপের ২১তম আসর।

রাশিয়া বিশ্বকাপ নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মনে উন্মাতনার শেষ নেই। তারকা ফুটবলারদের চমক দেখতে মুখিয়ে আছে সবাই। মাঠের গন্ডি পেরিয়ে তর্ক-বিতর্ক এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে সমর্থকদের মধ্যে। সেই সাথে আলোচনায় আসছে বিশ্বকাপের ইতিহাসের নানা অপ্রিয় ঘটনা, কিছু মুহূর্তগুলো।

শুমাখার-বাতিস্তু সংঘর্ষ, ১৯৮২ ১৯৮২ সালের বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ফ্রান্স বনাম জার্মানি ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামেন ফ্রান্সের বাতিস্ত। বক্সের মধ্যে বল ধরতে গিয়ে সংঘর্ষ হয় জার্মান গোলকিপার শুমাখারের সঙ্গে। এরপর মাঠে জ্ঞান হারিয়ে পড়ে থাকেন বাতিস্ত। আশ্চর্যজনকভাবে রেফারি শুমাখারের বিরুদ্ধে কোনো ফাউল দেননি।

রুডি ফোলারকে থুতু ফ্রাঙ্ক রাইকার্ডের, ১৯৯০ ১৯৯০ সালে ইতালি বিশ্বকাপে দ্বিতীয় রাউন্ডে জার্মানি বনাম নেদারল্যান্ডসের ম্যাচে হঠাতই ফোলারকে কড়া ট্যাকল করে তার গায়ে থুতু দেন ডাচ ডিফেন্ডার রাইকার্ড। এই ঘটনা রেফারিকে জানাতে গিয়ে উল্টে হলুদ কার্ড দেখেন ফোলার। কড়া ট্যাকেলের জন্য অবশ্য আগেইন হলুদ কার্ড দেখেছিলেন রাইকার্ড। এক মিনিট পরই দু'জনের মধ্যে ফের সংঘর্ষ হয়। এবার দু'জনকেই লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেন রেফারি।

ম্যারাডোনার ডোপ কেলেঙ্কারি, ১৯৯৪ ১৯৯৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নাইজেরিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের পরই ডোপ পরীক্ষায় ধরা পড়েন আর্জেন্টিনার দিয়েগো ম্যারাডোনা। যা বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম কেলেঙ্কারি বলে ধরা হয়। ম্যারাডোনা বলেন, ওরা আমার পা থেকে ফুটবলটাই কেড়ে নিল।

রোনালদোর ফাইনাল রহস্য, ১৯৯৮ ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল ফ্রান্স এবং ব্রাজিল। প্রথমে ফাইনালের টিম লিস্টে নাম ছিল না রোনালদোর। জানা যায়, স্পনসরদের চাপে তার নাম ঢোকানো হয়। এই কারনেই না কি ফাইনালের আগে ওয়ার্মআপে আসেনি ব্রাজিল দল। ফাইনালে শেষ পর্যন্ত ফ্রান্সের কাছে ৩-০ গোলে হারে ব্রাজিল। রোনালদো সেই ম্যাচে কিছুই করতে পারেননি। পরে রোনালদো নিজেই জানান, তার কনভালশন হয়েছিল। ৩ থেকে ৪ মিনিট জ্ঞান হারিয়েছিল। তিনি নিজেও জানেন না ঠিক কী হয়েছিল।

২০টি কার্ড দেখিয়ে ভিলেন রেফারি ইভানভ, ২০০৬ ২০০৬ সালে বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে নেদারল্যান্ডস বনাম পর্তুগাল ম্যাচটি 'ব্যাটল অফ ন্যুরেমবার্গ' নামে পরিচিতি পেয়েছে। এই ম্যাচে ১৬টি হলুদ কার্ড ও চারটি লাল কার্ড দেখান রেফারি ভ্যালেন্টিন ইভানভ। গোটা ম্যাচের ওপর তার নিয়ন্ত্রণ ছিল না। যার তীব্র সমালোচনা করে তৎকালীন ফিফা সভাপতি শেপ ব্লাটার। তিনি বলেন, রেফারিকেই হলুদ কার্ড দেখানো উচিত ছিল।

মাতেরেজ্জিকে জিদানের ঢুঁস, ২০০৬ ২০০৬ সালে জার্মানি বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল ফ্রান্স এবং ইতালি। ম্যাচের মাঝে মুহূর্তটি টিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েনি। পরে রিপ্লেতে ধরা পড়ে যে, জিদান ও মাতেরেজ্জির মধ্যে কথা কাটাকাটি হওয়ার পর জিদান হঠাত মাথা দিয়ে ঢুঁস মারে মাতেরেজ্জির বুকে। স্বাভাবিকভাবেই রেফারি লাল কার্ড দেখান জিদানকে। কেরিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচে করুণ পরিনতি ফরাসি কিংবদন্তির।

কিয়েল্লিনিকে সুয়ারেজের কামড়, ২০১৪ ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপে ইতালি বনাম উরুগুয়ে ম্যাচের তখন বাকি আর ১০ মিনিট। হঠাত দেখা যায় সুয়ারেজকে আটকাতে ইতালির ডিফেন্ডার কিয়েল্লিনি তার জার্সি টেনে ধরেন। আর তখনই সুয়ারেজ নাকি কামড়ে দেন কিয়েল্লিনির কাঁধে। যদিও মাঠে তা রেফারির চোখ এড়িয়ে যায়। কিয়েল্লিনি জার্সি খুলে রেফারিকে দেখানোর চেষ্টা করেন যে সুয়ারেজ তাকে কামড়েছে। পরে অবশ্য এই ঘটনার জন্য বড়সড় শাস্তি পান সুয়ারেজ।

/এস কে

apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত