• বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১
  • ||

বরগুনায় উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নতুন তিন মুখ

প্রকাশ:  ১১ জুন ২০২৪, ০০:৫০
পূর্বপশ্চিম ডেস্ক

বরগুনায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ছয় উপজেলার মধ্যে তিন উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে নতুন মুখ নির্বাচিত হয়েছেন। এরা হলেন পাথরঘাটায় এনামুল হক, বামনায় মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, বেতাগীতে খলিলুর রহমান।

রোববার (৯ জুন) ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে স্থগিত হওয়া পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী উপজেলায় নির্বাচন আয়োজন করা হয়। এতে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

পাথরঘাটা উপজেলায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক ২৪ হাজার ১২০ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কালমেঘা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুর আফরোজ (মটরসাইকেল) ২২ হাজার ২২৯ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন। এই উপজেলায় বর্তমান চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কবির কাপ-পি‍রিচ প্রতীক নিয়ে ১৫ হাজার ৩২৪ ভোট পেয়েছেন। এই উপজেলায় ভোট পড়েছে ৪৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

বামনা উপজেলায় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১৭ হাজার ৬৯৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান ও বামনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইতুল ইসলাম লিটু মৃধা ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ১০ হাজার ৯০৩ ভোট পেয়েছেন। এই উপজেলায় ভোট পড়েছে ৫৯ দশমিক এক শতাংশ।

বেতাগী উপজেলায় বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন বেতাগী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান। তিনি পেয়েছেন ১০ হাজার ৩৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আবদুস ছোবাহান হেলিকপ্টার প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯ হাজার ৭০৯ ভোট। এই উপজেলায় ভোট পড়েছে ৪০ দশমিক ৬০ শতাংশ।

সদ্য নির্বাচিত পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এনামুল হোসাইন বলেন, ছাত্র রাজনীতি করেছি, জেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলাম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। এই উপজেলার মানুষ আমাকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন। আমি সব তরুণদের ভোট পেয়েছি। সব শ্রেণিপেশার মানুষ আমাকে ভোট দিয়েছে। আমি সবার সেবা করবো। মাদকমুক্ত পাথরঘাটা তৈরি করার পাশাপাশি বেকারত্ব দূর করে মডেল উপজেলা তৈরি করবো।

বামনা উপজেলা পরিষদের নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলাম। গোটা ইউনিয়নের মানুষের উপকার করেছি। তখন পাশ্ববর্তী ইউনিয়নের মানুষ আসতো নানান সমস্যা নিয়ে। তারা জানতো আমার কাছ থেকে উপকৃত হবেন। কিন্তু ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হয়ে সবার উপকার করার ক্ষমতা আমার ছিল না। মানুষের উপকার করার জন্য নির্বাচন করেছি। প্রায় সাত হাজার ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হয়েছি। এর প্রতিদান হিসেবে জনগণের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেবো।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন,ভোট,বরগুনা

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close