Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০১৯, ১২ চৈত্র ১৪২৫
  • ||

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, বৌভাতের অনুষ্ঠান থেকে আটক বর

প্রকাশ:  ২২ জুলাই ২০১৮, ০২:২৩
শেরপুর প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon
প্রতীকী ছবি

শেরপুরে নালিতাবাড়ীতে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে বৌভাতের অনুষ্ঠান থেকে এক বরকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার দুপুরে নালিতাবাড়ী উপজেলার কোন্নগর গ্রামের নানার বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত আক্রাম হোসেন (৩০) উপজেলার রূপনারায়নকুড়া ইউনিয়নের গাছগড়া গ্রামের মৃত ছৈন উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আক্রাম হোসেন ছোটবেলা থেকেই নালিতাবাড়ীর মরিচপুরাণ ইউনিয়নের কোন্নগর গ্রামে নানাবাড়ীতে বসবাস করে আসছিলেন। সেই গ্রামের একটি মেয়ের সঙ্গে সে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। তবে স্থানীয় কোন্নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীকে নানা প্রলোভনের মাধ্যমে আক্রাম প্রেমিকার কাছে চিঠি আদান-প্রদানের কাজ করাতো।

একপর্যায়ে আক্রাম ওই চিঠি আদান-প্রদানকারী ৪র্থ শ্রণিতে পড়ুয়া মেয়েটিকেও কৌশলে ভালোবাসার জালে ফেলে গত ১৩ জুলাই রাতে বাড়ির পাশের রান্নাঘরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনাটি ওই স্কুলছাত্রী তার ভাবীকে জানালে মানসম্মানের ভয়ে কাউকে কিছু না জানিয়ে চুপচাপ থাকেন।

এদিকে, শনিবার দুপুরে আক্রামের নানাবাড়ীতে তার বিয়ের বৌভাত অনুষ্ঠান চলতে থাকে। শুক্রবার গোজাকুড়া গ্রামের অন্য একটি মেয়েকে তিনি বিয়ে করেন।

তবে ধর্ষণের ঘটনার পর থেকে ওই স্কুলছাত্রী বিদ্যালয়ে না যাওয়ায় শনিবার দুপুরে এক শিক্ষক তার অনুপস্থিতির কারণ জানতে তাদের বাড়িতে হাজির হলে ধর্ষণের ঘটনাটি ফাঁস হয়। পরে ওই শিক্ষক মেয়ে ও তার পরিবার শনিবার দুপুরে নালিতাবাড়ী থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগ পেয়ে দ্রুত পুলিশ অভিযুক্ত আক্রামকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

মামলার বাদী স্কুলছাত্রীর বড় ভাই বলেন, আক্রাম নেশাগ্রস্ত একটি ছেলে। তার বিরুদ্ধে মাদকের মামলা রয়েছে। সে কৌশলে আমার বোনকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে। আমরা তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই। এ ব্যাপারে থানায় মামলা করেছি।

অভিযুক্ত আক্রাম হোসেন থানা হেফাজতে থাকা অবস্থায় সাংবাদিকদের বলেন, আমি ওই মেয়েকে ধর্ষণ করি নাই। এটা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা অভিযোগ।

এ ব্যাপারে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম ফসিহুর রহমান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্ত আক্রামকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানো হবে। মেয়েটি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে, ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য আজ (রবিবার) শেরপুর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হবে।

ধর্ষণ
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত