Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯, ১০ চৈত্র ১৪২৫
  • ||

নিউজিল্যান্ডে সন্ত্রাসী হামলা

স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে নিহত সিলেটের হুসনে আরা

প্রকাশ:  ১৫ মার্চ ২০১৯, ১৯:২১ | আপডেট : ১৫ মার্চ ২০১৯, ১৯:২৭
সিলেট প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত তিন বাংলাদেশি। তাঁদের মধ্যে একজন হচ্ছেন সিলেটের। তিনি হলেন হুসনে আরা পারভীন (৪২)। তিনি অসুস্থ স্বামী ফরিদ উদ্দিন আহমদকে বাঁচাতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হয়েছেন।

নিহত হুসনে আরা পারভীনের বাবার বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জের জাঙ্গাল হাটা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত নুরুদ্দিনের মেয়ে। তারা তিন বোন ও দুই ভাই। আর স্বামীর বাড়ি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার চকগ্রামে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ এলাকায় আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে বসবাস করছেন। বর্তমানে সন্ত্রাসী হামলায় বেঁচে যাওয়া পারভীনের স্বামী ফরিদ উদ্দিন নিজ বাসায় রয়েছেন।

স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে নিহত হওয়ার খবর বাংলাদেশে পৌঁছালে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এমনটাই জানিয়েছেন নিহত হুসনে আরার ভাগ্নে মাহফুজ চৌধুরী। তিনি সিলেটের গোলাপগঞ্জ থেকে জানান, নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ এলাকায় দুটি মসজিদ রয়েছে। একটিতে নারীরা ও অন্যটিতে পুরুষরা নামাজ আদায় করে থাকেন। পবিত্র জুম্মার নামাজ আদায় করাতে অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে ঘটনার আধাঘন্টা পূর্বে মসজিদে যান খালা। খালা মামাকে হুইলচেয়ারে করে পুরুষদের মসজিদে রেখে নিজে নামাজ আদায় করতে নারীদের মসজিদে যান। হঠাৎ পুরুষদের মসজিদে গুলির শব্দ শুনে খালা তাঁর অসুস্থ স্বামীকে সন্ত্রাসী হামলা থেকে রক্ষা করতে নারীদের মসজিদ থেকে বের হলে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী তাকে গুলি করে। তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত পুলিশ আমাদের কাছে লাশ হস্তান্তর করেনি। তবে পুলিশ খালা নিহত হওয়ার খবর আমাদের নিশ্চিত করেছে।

ক্রাইস্টচাচে বসবাসকারী নিহত পারভীনের ভাবি হিমা বেগম ঘটনার পর টেলিফোনে সিলেটে থাকা পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানান উল্লেখ করে মাহফুজ চৌধুরী বলেন, সন্ত্রাসী হামলার প্রায় একঘণ্টা পর হিমা বেগম ফোন করে পারভীন খালার নিহতের খবরটি আমাদের জানিয়েছেন।

হিমা বেগম আরো জানান, মসজিদের বাইরে গুলির শব্দ শোনার সঙ্গে সঙ্গে কয়েকজন মুসল্লি­ হুইল চেয়ারে করে ফরিদ উদ্দিনকে মসজিদ থেকে বের করে নেওয়ায় তিনি বেঁচে গেছেন।

পারিবারিক স‚ত্র জানায়, ১৯৯৪ সালে হুসনে আরা পারভীন ও ফরিদ উদ্দিনের বিয়ে পারিবারিকভাবে হয়। বিয়ের কয়েক বছর পর তাঁরা নিউজিল্যান্ডে চলে যান। সেখানে তাঁরা স্থায়ীভাবে বসবাস করে আসছেন। তাঁদের এক কন্যা সন্তান রয়েছে। সর্বশেষ ২০০৯ সালে তারা বাংলাদেশে এসেছিলেন।

/পিবিডি/পি.এস

সিলেট,নিউজিল্যান্ডে সন্ত্রাসী হামলা
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত