Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০১৯, ৫ চৈত্র ১৪২৫
  • ||

ধামরাইয়ে স্কুলশিক্ষকের শাবলের কোপে আহত চবি শিক্ষার্থী

প্রকাশ:  ১৬ মার্চ ২০১৯, ০৯:৫১
ধামরাই প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

ঢাকার ধামরাইয়ে স্কুলশিক্ষকের শাবলের কোপে আহত হয়েছে চবির এক ছাত্রী। ওই ছাত্রীর নাম মারিয়া বিনতে লতিফ মিম (২২)। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ড্রামাটিকস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।

শুক্রবার (১৫ মার্চ) উপজেলার কাওয়াখোলা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত স্কুলশিক্ষকের নাম আলী হায়দার। তিনি স্থানীয় হাতকোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক। মারিয়া স্থানীয় মৃত আঃ লতিফ এর মেয়ে।

এ ঘটনায় শুক্রবার বিকেলে ধামরাই থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন মারিয়ার ভাবি সাথী আক্তার ও মারিয়া নিজে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন সকালে তাদের নিজ বাড়ির সীমানা প্রাচীরের টিন সোজা করতে যায় মারিয়ার ভাই ফরহাদ। এসময় সেখানে আগে থেকেই সীমানা দখল করে রাখা ও অভিযুক্ত আসামি স্থানীয় স্কুলশিক্ষক হায়দার আলী (৩৩), তার ভাই হান্নান আলী (২৩) ও তার বাবা আলী আহমদ (৬০) অতর্কিতে লাঠিসোটা ও শাবল নিয়ে এলোপাথাড়ি হামলা চালিয়ে মারধর করতে থাকে।

ফরহাদকে বাঁচাতে গিয়ে তাদের হামলার শিকার হন অভিযোগকারী সাথী আক্তার ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মারিয়া বিনতে লতিফ।

এবিষয়ে মারিয়া বিনতে লতিফ বলেন, আমি চট্টগ্রামে থাকি। কয়েকদিন হলো বাড়িতে এসেছি। আজ সকালে আমার ভাই বাড়ির বেড়া ঠিক করতে গিয়েছিলো। সেসময় আমি খাচ্ছিলাম৷ এমন সময় ভাইয়ার উপর হামলা চালায় আলী হায়দার, তার ভাই ও তাদের বাবা। এসময় আমরা তাদের থামাতে গেলে তারা আমাদের উপরও হামলা চালায়। হায়দার তার হাতের শাবল দিয়ে আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম করে। তারা আমার ভাবির চুল ও কাপড় টেনে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। পরে আশেপাশের লোকজন এসে তাদের ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শী শরীফুল ইসলাম বলেন, সকালে তারা নিজেদের বাড়ির সীমানার ভেঙে পড়া টিনের বেড়া ঠিক করতে যায়। তখন হায়দারের পরিবারের লোকজন ওদের উপর শাবল ও বাশের লাঠি নিয়ে হামলা চালায়। আশেপাশের লোকজন গেলে তারা চলে যায়। পরে আমরা তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যাই।

এবিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মোতালেব হোসেন জানান, বিকেলে দিকে তারা এসেছিলো। এসময় তাদের গায়ের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত দেখা গেছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা ধামরাই থানার এসআই রফিকুল। তিনি বলেন, বিকেলে তারা অভিযোগ দায়ের করে। আমরা ইতোমধ্যে তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। দ্রুত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এবিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক সাহা বলেন, আমি ঘটনাটি এখনও শুনিনি। তবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ধামরাই,স্কুলশিক্ষক,চবি শিক্ষার্থী
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত