• রবিবার, ২২ জুলাই ২০১৮, ৭ শ্রাবণ ১৪২৫
  • ||

জন্মদিনে কেন ছাত্রদল নিজেরাই রক্ত ঝরালো?

প্রকাশ:  ০২ জানুয়ারি ২০১৮, ১৬:০৫ | আপডেট : ০২ জানুয়ারি ২০১৮, ১৬:১৭
মজুমদার ইমরান
প্রিন্ট

আভ্যন্তরীণ কোন্দল, আধিপত্য বিস্তার ও কমিটি না হওয়ার মতো ঘটনাগুলোকে কেন্দ্র করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের অভন্তরে রক্ত ঝরছে। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের কমিটিও নানা গ্রুপ-উপগ্রুপে বিভক্ত। মেয়াদউর্ত্তীণ হয়ে যাওয়া ছাত্রদলের অধিকাংশ নেতাকর্মীই বর্তমান কমিটি ভেঙ্গে দেয়ার পক্ষে। কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙ্গে দেয়ার বিষয়েও সংগঠনটির ভেতরে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। শুধু কেন্দ্রে নয় সমস্যা রয়েছে তৃণমূলেও। দীর্ঘদিন কমিটি না হওয়া ও নেতাদের আধিপত্য বিস্তারের নামে তৃণমূল পর্যায়ে আভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রকট। মাঝে মাঝেই ছাত্রদলের আভ্যন্তরীণ এই কোন্দল মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে।

এই তো দুইদিন আগেই ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি পালণ করতে গিয়ে আভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে সিলেটে একজন ছাত্রদল কর্মী নিহত হয়েছেন। আধিপত্য বিস্তারের ঘটনায় এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটে। এছাড়াও দেশের অন্যান্য জেলাগুলোতেও ছাত্রদলের আভ্যন্তরীণ কোন্দলের ঘটনা সহসাই চোখে পড়ে। মঙ্গলবারেও (০২ জানুয়ারি) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ধারনা করা হচ্ছে এই ঘটনাও ছাত্রদলের আভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরেই।

জানা যায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনের ক্যানটিনের সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। ঘটনার পরপরই উপস্থিত ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে অনেকে ছোটাছুটি শুরু করেন।

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী মোক্তার হোসেন পূর্বপশ্চিম বিডি.নিউজকে বলেন, প্রতিটি সংগঠনেই আভ্যন্তরীণ কোন্দল থাকে। আমাদের সংগঠন অনেক বড় সংগঠন।এখানেও আমাদের সমস্যা আছে। কেন্দ্রীয় কমিটি পুণগর্ঠনের দাবিও রয়েছে। এসব বিষয়ে আমাদের শীর্ষ নেতারা কাজ করছেন।

ছাত্রদল সভাপতি রাজিব আহসান পূর্ব পশ্চিমকে বলেন, কমিটি পুণগর্ঠন একটি চলমান প্রক্রিয়া। এটা সংগঠনে সব সময় অব্যাহত থাকে। আমাদের এখানে কোন্দল খুব একটা নেই। নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা রয়েছে। তারপরও কোথাও কোথাও দুই একটি ঘটনা ঘটছে। আমরা এসব ঘটনা তদন্ত করে দেখছি। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।

/মজুমদার

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি