Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯, ৬ বৈশাখ ১৪২৬
  • ||

‘ধর্ষক’ রুহুলের আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন

প্রকাশ:  ২৫ মার্চ ২০১৯, ১৫:২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon
হাইকোর্ট। ফাইল ছবি

আদালতকে বিভ্রান্ত করে নোয়াখালীর সুবর্ণচরের গৃহবধূকে গণধর্ষণের মূলহোতা ও প্রধান আসামি মো. রুহুল আমিনের জামিন করানোয় আইনজীবী আশেক-ই-রসুলের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এ বিষয়ে আগামী বুধবার (২৭ মার্চ) শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।

রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন শুনানি নিয়ে সোমবার (২৫ মার্চ) বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এদিন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

গণধর্ষণ মামলার আসামি রুহুল আমিনের জামিন করানো আইনজীবী আশেক-ই-রসুল দেশের বাইরে রয়েছেন জানিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবাদিকদের বলেন, আদালতকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগে আশেক-ই-রসুলের বিরুদ্ধে মৌখিকভাবে হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছি। লিখিত আবেদন দাখিলের পর আগামী বুধবার এ বিষয়ে বিস্তারিত শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে গত ১৮ মার্চ আসামি মো. রুহুল আমিনকে এক বছরের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনাদেশ দেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় তার জামিন কেন বৃদ্ধি করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। চার সপ্তাহের মধ্যে রাষ্ট্রকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়। পরে ২১ মার্চ বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ পায় এবং হাইকোর্টের জামিন আদেশের অনুলিপি হাতে পায় রাষ্ট্রপক্ষ।

অনুলিপি হাতে পেয়ে ওই দিন সংশ্লিষ্ট কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ রায় জানান, আসামি রুহুল আমিনের আইনজীবী আশেক-ই-রসুল জামিন আবেদনটি বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের আদালতে শুনানির জন্য ফাইল করেন। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ থেকে তার (রুহুল আমিন) জামিন করান। রাষ্ট্রপক্ষকে বিভ্রান্ত করার ফলে সেদিন আমরা বুঝতেই পারিনি কোন আসামির জামিন হয়েছে।

বিশ্বজিৎ রায় আরও বলেন, আসামির জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানিকালে ওই আইনজীবী (মো. আশেক-ই-রসুল) আদালতকে বলেছেন, মামলার প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে (এফআইআর) আসামি রুহুল আমিনের নাম নেই। তাছাড়া মামলাটি এখনও তদন্তাধীন। এরপর আমরা আদেশটির বিষয়ে গত বৃহস্পতিবারই (২১ মার্চ) আদালতকে অবহিত করি।

এরপর গত ২৩ মার্চ (শনিবার) ছুটির দিনে বিশেষ ব্যবস্থায় বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের চেম্বারে (খাস কামরায়) বসে জামিনের আদেশটি রিকল এবং আদেশ বাতিল করেন।

উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে ভোট দেয়াকে কেন্দ্র করে নির্যাতিতা ওই নারীর সঙ্গে কয়েকজনের কথাকাটাকাটি হয়। এর জেরে রুহুল আমিনের নির্দেশে ১০-১২ জন তার বাড়িতে গিয়ে স্বামী-সন্তাদের বেঁধে তাকে গণর্ধষণ ও মারধর করে।


পিবিডি/এসএম

হাইকোর্ট,আদালত,সুবর্ণচরে গণধর্ষণ
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত