Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৪ ফাল্গুন ১৪২৫
  • ||

স্মৃতিতে অম্লান চেতনায় উজ্জ্বল ডা. জাহাঙ্গীর সাত্তার টিংকু

প্রকাশ:  ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৯:২৭
ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়া
প্রিন্ট icon

বছর ঘুরে আবার এলো ৮ ফেব্রুয়ারি, ডা. জাহাঙ্গীর সাত্তার টিংকু ভাইয়ের মৃত্যুবার্ষিকী। কিন্তু এখনো মনে হয় না তিনি নেই। আমি বিশ্বাস করি যে বা যারা টিংকু ভাইয়ের সাথে ঘনিষ্ঠ ছিল , তাদের কাছে টিংকু ভাই এখনো আছেন। এতো বিশাল হৃদয় ও আধুনিক মানসিকতার মানুষকে তার প্রিয়জনরা এখনো খুঁজে বেড়ায় নিশ্চয়।ী।

অসীম সাহসী ও অনুপ্রাণিত করার মতো মানুষ ছিলেন। কোন কিছুই অসম্ভব না- এই ধ্যান ধারণা সবসময় লালন করতেন। যে বা যারা ওনার সংস্পর্শে গিয়েছেন , তাদের কাছে এই ধারণা সঞ্চারিত করতেন। ৯০ এর দশকের ছাত্র আন্দোলনের কিংবদন্তী নেতা , যিনি চলনে , বলনে ও আধুনিকতায় অন্যদের চেয়ে অনন্য ছিলেন। অসম্ভব কর্মীবান্ধব ও বন্ধুবৎসল টিংকু ভাই সহজেই সাধারণ মানুষের আপন হয়ে যেতেন। জটিল বিষয় সহজভাবে কর্মীদের মাঝে সঞ্চালন করতেন সহজেই।

১৯৯৪ সালে বিএনপি সরকারের ক্ষমতার সময়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কাযর্ক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। তাই সাংস্কৃতিক সংগঠন " উচ্ছাস " এর মাধ্যমে সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের মুক্তিযুদ্ধ , বঙ্গবন্ধু ও ছাত্রলীগ এর বার্তা পৌঁছে দেওয়ার সময়ে টিংকু ভাই এর অবদানের কথা মনে থাকবে। আমাদের নবীন বরণে আপনি বিশেষ অতিথি ছিলেন এবং আপনার বক্তব্য এখনো কানে বাজে। নিজে ড্রাইভ করে আসলেন আর আপনার পাশে আমি বসা ছিলাম -এখনো স্মৃতিপটে অমলিন। মানুষকে উজ্জীবিত করার মতো অসম্ভব ক্ষমতা ছিল।

ঢাকার পল্টন, সেগুন বাগিচা ও মগবাজার আপনার বাসা জুড়ে অগণিত স্মৃতি চোখের জলে এঁকে যায় এখনো। শুধু ঢাকায় নয় , চট্টগ্রামে শেঠ বাড়িতে আপনি যেদিন আসতেন কত হরেক রকমের মাছ দিয়ে খাবার রান্না হতো। সমাজ ও রাজনীতি এবং দেশ নিয়ে আপনার চিন্তা চেতনা আড্ডাবাজির অংশ ছিল। শুধু নিজের পরিবার পরিজন নয়, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ও জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতিটি নেতা কর্মীকে নিয়ে অর্থনৈতিক ও সামাজিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত করার ভাবনা ছিল সদা সর্বদা। অনেককেই সামাজিক , রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে টিংকু ভাই প্রতিষ্ঠিত করেছেন। টিঙ্কু ভাই জীবিত থাকলে সমাজ , জাতি ও দেশ রাজনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হতো। দুর্ভাগা আমরা। ক্ষণজন্মা টিংকু ভাইয়েরা বেশি দিন বেঁচে থাকেন না। টিংকু ভাইকে আমাদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে , তার ধ্যান ধারণা ও চিন্তা চেতনা বর্তমান প্রজন্মের কাছে সঞ্চালন করতে হবে।

আমরা যারা ঘনিষ্ঠজন ছিলাম , এই দায়িত্ব আমাদের নিতে হবে। বর্তমান দেশের অনেক গুণীজন টিংকু ভাই এর ঘনিষ্ঠজন। তাদের সাথে টিংকু ভাইয়ের কাটানো আড্ডাবাজির স্মৃতি নিয়ে " স্মারক গ্রন্থ " বের করার ইচ্ছে। এই জন্য তাঁদের সহযোগিতা প্রয়োজন।

আপনি ভালো থাকবেন - আমাদের সবার ভালবাসায়। আমাদের সবার ভালবাসায় আজীবন বেছে থাকবেনা আপনি । জনাব .পীর হাবিব এর ভাষায় লিখতে হয় "জাহাঙগীর সাত্তার টিংকু তোমার মিস্টি হাসি মুখ মনে পড়ে ,তোমার থপ থপ করে কথা বলা ও হাটা, আন্তরিকতা ভোলা যায়না।" লেখক: সাবেক ভিপি , ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদ / সাবেক আহবায়ক , বাংলাদেশ ছাত্রলীগ , ঢাকা মেডিকেল কলেজ

জাহাঙ্গীর সাত্তার টিংকু
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত