Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • সোমবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৬ ফাল্গুন ১৪২৫
  • ||

হল প্রভোস্টকে 'ভুয়া ও জামাতি প্রভোস্ট' আখ্যা দিয়ে বের করলো ছাত্রলীগ

প্রকাশ:  ২৪ জানুয়ারি ২০১৯, ১১:০৫ | আপডেট : ২৪ জানুয়ারি ২০১৯, ১১:০৮
ঢাবি প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসীম উদ্দীন হলের প্রভোস্ট ও আইন অনুষদের ডিন ড. মোঃ রহমত উল্লাহ কে 'ভুয়া ও জামাতি প্রভোস্ট' আখ্যা দিয়ে হল থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে৷ এসময় প্রভোস্টের অফিসেও ভাঙচুর করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা৷

বুধবার (২৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসীম উদ্দীন হলে এ ঘটনা ঘটে৷

জানা গেছে, হল প্রভোস্ট ড. রহমত উল্লাহ কবি জসীম উদ্দীন হলে অছাত্র ও বহিরাগতদের বের করা এবং বৈধ ছাত্রদের হলে অবস্থান নিশ্চিত করার জন্য অভিযান পরিচালনা করছেন৷ গত কয়েকদিন থেকে তিনি হলের প্রতিটি রুমে গিয়ে অছাত্র ও বহিরাগতদের হল থেকে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন৷নিজ থেকে চলে না গেলে বের করে দেবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন৷ পলে প্রভোস্ট হলের ২১৯, ৩২২ ও ৩২৩ নম্বর রুমে তালা ঝুলিয়ে দেন৷ এসব রুমে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় নেতারা থাকতেন৷

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হলের একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, প্রভোস্টের এই অভিযান হলে অবস্থানরত কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের অনেক নেতার কাছে ভালো লাগে নি৷ কারণ নেতাদের অধিকাংশেরই ছাত্রত্ব নেই এবং তারা অবৈধভাবে ছাত্রত্ব শেষ হলেও হলে থাকছেন৷

বুধবার রাতে প্রভোস্ট হলে প্রবেশ করলে এসব নেতাদের ইন্ধনে জসীম উদ্দীন হল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হলে বিশৃংখলা শুরু করে৷ তারা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে হলে ভাঙচুর শুরু করে৷ এসময় প্রভোস্টের রুমের জানালার কাঁচও ভাঙচুর করা হয়েছে৷ এক পর্যায়ে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা প্রভোস্টরে 'ভুয়া আর জামাতি প্রভোস্ট' আখ্যা দিয়ে হল থেকে বের করে দেয়৷

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ রাত ১২টা থেকে জসীম উদ্দীন হল থেকে ছাত্ররা চিৎকার চেচামি শুরু করে৷ পরে ভাঙচুরের শব্দও পাওয়া যায়৷হলের ছাত্ররা বের হয়ে জড়ে হতে থাকে৷ পরে প্রভোস্টকে 'ভুয়া ও জামাতি প্রভোস্ট' বলে হল থেকে বের করে দেয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা৷

এ বিষয়ে হল প্রভোস্ট ড. রহমত উল্লাহ'র কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'আমি মাত্র হল থেকে এসেছি৷ হলের পরিবেশ শান্ত আছে,কোনা সমস্যা নেই'৷ কথা শেষ হওয়ার আগেই তিনি 'একটু পরে ফোন দিচ্ছি' বলে ফোন কেটে দেন৷

কবি জসীম উদ্দীন হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহেদ খানকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন ধরেননি৷ এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, হলের সকল দায়িত্ব হল প্রশাসনের । ওটা তারা দেখবে।

প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গত শনিবার প্রভোস্ট স্টান্ডিং কমিটির সভায় হলকে বহিরাগতমুক্ত করতে অছাত্র ও বহিরাগতদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়। এরই অংশ হিসেবে প্রত্যেক হল কর্তৃপক্ষ অছাত্র ও বহিরাগতদের বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছে।

পিবিডি/ওএফ

apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত